"বিটকয়েন"
বিটকয়েন শব্দটির সাথে মোটামুটি আমরা সবাই পরিচিত। বর্তমানে ভার্চুয়াল জগতে সবচেয়ে দামি যে জিনিস তা সম্ভত বিটকয়েন! সবচেয়ে দামি কেনো বললাম তা একটু পরে বলছি। আগে বিটকয়েন সম্পর্কে একটু ধারনা লাভ করা যাক।
বিটকয়েন (Bitcoin) হলো একধরনের Crypto Currency বা ভার্চুয়াল মুদ্রা। এর বাস্তব জগতে কোনো অস্তিত্ব নেই। কিন্তু এই মুদ্রা বাস্তবিক মুদ্রায় রূপান্তর করা সম্ভব। যেভাবে বৈদেশিক মুদ্রা রূপান্তর হয় সেরকম। এই বিটকয়েন দিয়ে অনলাইনে কেনা কাটা করা ও সম্ভব।
১৯৯৮ সালে সর্বপ্রথম Wei Dai নামক একজন ব্যক্তি ইলেক্ট্রনিক ক্যাশ সিস্টেম "B-Money" এর একটা ধারনা দেন। তার কিছুদিন পরেই Nick Szabo নামে আরেকজন ব্যক্তি তৈরি করেন "Bitgold"
Bitgold ছিলো একটি ইলেক্ট্রনিক কারেন্সি সিস্টেম।
এরই ধারাবাহিকতায় ২০০৯ সালে তৈরি হয় বিটকয়েন (Bitcoin)।
এখন আসি বিটকয়েন কে কেনো দামি বলেছিলাম সে বিষয়ে:
২০১১ সালের নভেম্বর মাসে একটি বিটকয়েনের দাম ছিল ২$ ডলার যা বাংলাদেশি টাকায় মোটামোটি ১৭০ টাকার মতো। কিন্তু তার ২ বছর পর অর্থাৎ ২০১৩ সালের নভেম্বর মাসে একটি বিটকয়েনের দাম গিয়ে দাঁড়ায় ২০০০$ ডলারে যা বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ১৬০,০০০ (এক লক্ষ ষাট হাজার) টাকা!!
২০১৭ সালে Bitcoin পূর্ববর্তী সব Crypto Currency এর রেকর্ড ভেঙ্গে দিয়েছিলো। ২০১৮ সালের জানুয়ারি মাসে একটি বিটকয়েনের দাম ১১,৩৫,৯৭০ (এগার লক্ষ পঁয়ত্রিশ হাজার নয়শ সত্তর) টাকা ছিলো! এবং এই অংক প্রতিনিয়ত আরো বড় হচ্ছে।
চিন্তা করেন একটা বিটকয়েনের দাম ১১ লক্ষ টাকা!! এখন বুঝতে পারছেন কেনো বলেছিলাম সবচেয়ে দামি।
বাংলাদেশে কিন্তু বিটকয়েন (Bitcoin) বৈধ না। ২০১৪ সালের সেপ্টেম্বর মাসে বাংলাদেশ ব্যাংক বিটকয়েন (Bitcoin) ব্যাবহার আইনত দণ্ডনীয় বলে একটি স্টেটমেন্ট ঘোষণা করে। বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কর্মকর্তা জানান কাউকে যদি বিটকয়েন (Bitcoin) বা অন্য কোনো Crypto Currency নিয়ে লেনদেন করতে দেখা যায় তবে ১২ বছর পর্যন্ত জেল ও হতে পারে। কারন, যেহেতু বিটকয়েন কোনো অনুমোদিত মুদ্রা ব্যাবস্তা নয় এবং এর মূল্য ও স্তির নয় তাই এটা জনগনের এবং দেশের অর্থনৈতিক ক্ষতিসাধন করতে পারে। এই বিষয়টি আমাদের দেশের ফ্রিল্যানসার দের কাছে অনেক সমালোচিত হয়েছে। তাই আমাদের দেশের Freelancer ও Investor দের বৈধ ভাবে বিটকয়েন ব্যাবহার করতে হলে এখনো অপেক্ষার প্রহর গুনতে হবে।
বিটকয়েন শব্দটির সাথে মোটামুটি আমরা সবাই পরিচিত। বর্তমানে ভার্চুয়াল জগতে সবচেয়ে দামি যে জিনিস তা সম্ভত বিটকয়েন! সবচেয়ে দামি কেনো বললাম তা একটু পরে বলছি। আগে বিটকয়েন সম্পর্কে একটু ধারনা লাভ করা যাক।
বিটকয়েন (Bitcoin) হলো একধরনের Crypto Currency বা ভার্চুয়াল মুদ্রা। এর বাস্তব জগতে কোনো অস্তিত্ব নেই। কিন্তু এই মুদ্রা বাস্তবিক মুদ্রায় রূপান্তর করা সম্ভব। যেভাবে বৈদেশিক মুদ্রা রূপান্তর হয় সেরকম। এই বিটকয়েন দিয়ে অনলাইনে কেনা কাটা করা ও সম্ভব।
১৯৯৮ সালে সর্বপ্রথম Wei Dai নামক একজন ব্যক্তি ইলেক্ট্রনিক ক্যাশ সিস্টেম "B-Money" এর একটা ধারনা দেন। তার কিছুদিন পরেই Nick Szabo নামে আরেকজন ব্যক্তি তৈরি করেন "Bitgold"
Bitgold ছিলো একটি ইলেক্ট্রনিক কারেন্সি সিস্টেম।
এরই ধারাবাহিকতায় ২০০৯ সালে তৈরি হয় বিটকয়েন (Bitcoin)।
এখন আসি বিটকয়েন কে কেনো দামি বলেছিলাম সে বিষয়ে:
২০১১ সালের নভেম্বর মাসে একটি বিটকয়েনের দাম ছিল ২$ ডলার যা বাংলাদেশি টাকায় মোটামোটি ১৭০ টাকার মতো। কিন্তু তার ২ বছর পর অর্থাৎ ২০১৩ সালের নভেম্বর মাসে একটি বিটকয়েনের দাম গিয়ে দাঁড়ায় ২০০০$ ডলারে যা বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ১৬০,০০০ (এক লক্ষ ষাট হাজার) টাকা!!
২০১৭ সালে Bitcoin পূর্ববর্তী সব Crypto Currency এর রেকর্ড ভেঙ্গে দিয়েছিলো। ২০১৮ সালের জানুয়ারি মাসে একটি বিটকয়েনের দাম ১১,৩৫,৯৭০ (এগার লক্ষ পঁয়ত্রিশ হাজার নয়শ সত্তর) টাকা ছিলো! এবং এই অংক প্রতিনিয়ত আরো বড় হচ্ছে।
চিন্তা করেন একটা বিটকয়েনের দাম ১১ লক্ষ টাকা!! এখন বুঝতে পারছেন কেনো বলেছিলাম সবচেয়ে দামি।
বাংলাদেশে কিন্তু বিটকয়েন (Bitcoin) বৈধ না। ২০১৪ সালের সেপ্টেম্বর মাসে বাংলাদেশ ব্যাংক বিটকয়েন (Bitcoin) ব্যাবহার আইনত দণ্ডনীয় বলে একটি স্টেটমেন্ট ঘোষণা করে। বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কর্মকর্তা জানান কাউকে যদি বিটকয়েন (Bitcoin) বা অন্য কোনো Crypto Currency নিয়ে লেনদেন করতে দেখা যায় তবে ১২ বছর পর্যন্ত জেল ও হতে পারে। কারন, যেহেতু বিটকয়েন কোনো অনুমোদিত মুদ্রা ব্যাবস্তা নয় এবং এর মূল্য ও স্তির নয় তাই এটা জনগনের এবং দেশের অর্থনৈতিক ক্ষতিসাধন করতে পারে। এই বিষয়টি আমাদের দেশের ফ্রিল্যানসার দের কাছে অনেক সমালোচিত হয়েছে। তাই আমাদের দেশের Freelancer ও Investor দের বৈধ ভাবে বিটকয়েন ব্যাবহার করতে হলে এখনো অপেক্ষার প্রহর গুনতে হবে।

Playtech - New Zealand's #1 supplier of gaming equipment
ReplyDeletePlaytech, an 1xbet korean innovator of aprcasino software and services for herzamanindir online gaming and iGaming products, https://septcasino.com/review/merit-casino/ have partnered with febcasino.com supplier Casino.